ঢাকা শহরে পাবলিক বাস, রিকশা, হাঁটা, সাইকেল ও অন্যান্য মাধ্যমে চলাচলের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা বেড়ে যাওয়ায় মানুষ প্রাইভেট কার ক্রয় এবং ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে। যা যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ। বর্তমানে ঢাকায় প্রাইভেট কারে মাত্র পাঁচ শতাংশ চলাচল সংঘটিত হয়ে থাকে এবং রাস্তার সত্তর শতাংশ ব্যবহার করে। তাই যানজট হ্রাসে প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী। এজন্য গণপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। আজ বিশ্ব কারমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে সকাল ১১ টায় পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এনডিএফ) এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর উদ্যোগে প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ ও গণপরিবহনের উন্নয়নের দাবীতে আয়োজিত বিশেষ কর্মসূচিতে বক্তারা একথা বলেন।
“দেশে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে রেলকে প্রাধান্য নৌপথ ও সড়ক পথের সঙ্গে সমন্বয় করে সমন্বিত যোগাযোগ নীতিমালা প্রণয়ন, রেলপথের সঙ্গ্রে দেশের সব বন্দর ও শিল্প কারখানাগুলোর সংযোগ সৃষ্টি, রেলওয়ের প্রশিণ একাডেমীকে শক্তিশালী করা- জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি-রেলওয়ের সম্পদ এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত- রেলের গবেষণা সেল তৈরি ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণাকাজে যুক্ত করাসহ রেল মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন ও গতিশীল সম্পর্ক তৈরি করা এবং রেল উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে জনসাধারণ ও তাদের প্রতিনিধি হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি সংগঠন, পরিবেশবাদী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে উচ্চ পর্যায়ের পরামর্শক বোর্ড গঠনের সুপারিশ করা হয়।” ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ বিকাল ৩টায় সিরডাপ মিলনায়তনে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় দেশের বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ উক্ত পরামর্শ দেন। পবা চেয়ারম্যান আবু নাসের খান-এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক এমপি।
রেলের বিদ্যমান সঙ্কটগুলোর মধ্যে রেল ইঞ্জিন, বগির অভাব প্রকট এবং পর্যাপ্ত রেল ইঞ্জিন ও বগির অভাবে অনেক রুটে চাহিদা থাকা সত্বেও রেলগাড়ি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। রেল ইঞ্জিন ও বগির এ অভাব দূর করতে বাংলাদেশের রেলকারখানাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে রেল কারখানায় রেলের বগি ও ইঞ্জিন নির্মাণ, মেরামত, রেলইঞ্জিন-বগি ও লাইনের অন্যান্য যন্ত্রাংশ তৈরি ও মেরামত করা হয়। তাই অবিলম্বে রেল কারখানাগুলোকে সচল ও সক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।
.jpg)
Send to a friend
Print this page 