This research examines the experience of female bidi makers in Bangladesh. The tobacco industry often cites bidi work as an important source of employment, but just how do women experience that employment?
অনেকগুলো সুখের স্মৃতির মাঝে একটি। সময়ের সাথে সাথে সেই হাঁটতে শেখা আমি এই নগরে অনেকের মতোই পথচারী। একজন ব্যক্তি আরাম, স্বাচ্ছন্দ্য ও শারিরীক কষ্ট কমাতে গাড়ি ব্যবহার করে, লিফট ব্যবহার করে। আমি পথচারী হাটতে হাটতে কান্ত হয়ে পড়ি, কষ্ট হয়, হাতে বোঝা থাকে তাই কষ্ট এড়াতে পর্বত সমান ফুটওভার ব্রিজ না ডিঙ্গিয়ে সমতলে রাস্তা পারাপার করি।
Traffic congestion in cities is a global problem, and has been addressed mainly in two different ways: by creating more space and infrastructure for cars while banning other vehicles, and by reducing the space and infrastructure for cars while improving the situation for walking, cycling and public transit.
Our current cities are disastrous for the environment, but beyond that, they are unfriendly to human life as well. People live amidst intense noise and air pollution. Simply crossing a street may be the most dangerous thing we do each day. As a result, our children have no chance to play outdoors, and we withdraw into our own lives, not even knowing the residents of our own building.
The new paradigm in sanitation must be based on ecosystem approaches and the closure of material flow cycles rather than on linear, expensive and energy intensive end-of-pipe technologies. Sanitation systems are part of several cycles, of which the most important cycles are the pathogen-, water-, nutrient- and energy cycle. In order to ensure public health, sanitation approaches primarily aim at interrupting the life cycle of pathogens. In addition, the new approach is recognising human excreta and water from households not as a waste but as a resource that could be made available for reuse, especially considering that human excreta and manure from husbandry play an essential role in building healthy soils and are providing valuable nutrients for plants.
Collaboration and cooperation are perhaps as difficult as they are vital for success. One group speaking alone is far less powerful than many raising a united voice, but how to overcome problems of ego and difference of opinion in order to join in an effective advocacy campaign?
এক সময় বাংলাদেশে বিলবোর্ড, সাইন বোর্ড, পত্রিকা, টেলিভিশনসহ সকল প্রচার মাধ্যমে ব্যাপক তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রচার হত। দোকান, রাস্তাসহ প্রায় প্রতি ক্ষেত্রেই চোখে
পড়ত তামাকজাত দ্রব্যের বিশাল বিশাল বিজ্ঞাপন। সরাসরি তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি থাকতে ব্যান্ড শো, গাছ লাগানো, ইয়ুথ প্রিভেনশন ক্যাম্পেইনসহ নানা ধরনের প্রচারণা কার্যক্রম। গণমাধ্যমে প্রকাশিত/প্রচারিত বিজ্ঞাপনের একটি বড় অংশ থাকত তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন, কিন্তু আজ এ অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর পত্রিকার পাতা জুড়ে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন দেখা যায় না। ২০০৫ সালের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে সকল প্রচার মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয়। আইনটি ২৬ মার্চ ২০০৫ সাল হতে কার্যকর করার পর প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন প্রচার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
The National Daily Naya Diganta Publish a artical on Woman and Tobacco. The articla foucas how women are effect by tobacco. Also discuss about police situaion to procet women (Click for artical).
বিগত কয়েক বছর যাবত দেশে ইভটিজিং ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এর ফলে মেয়েদের শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে। এমনকি ক্রমাগত ইভটিজিং সইতে না পেরে অনেকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে। ইভটিজিং তথা যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে শিক মিজানুর রহমান, মা চাঁপা রানীকে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন। এমতবস্থায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ইভটিজিং প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ করাটাও আর নিরাপদ নয়। ইভটিজিং বর্তমানে দেশে এক সামাজিক ব্যাধি। এ ব্যাধি নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
বিড়ি ও সিগারেটের উপর কর বৃদ্ধির বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা করছে। তামাক নিয়ন্ত্রণকর্মীরা জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতি ইত্যাদি বিবেচনায় তামাকজাত দ্রব্যের উপর করবৃদ্ধির কথা বললেও, দীর্ঘদিন ধরে তামাকজাত দ্রব্যের উপর প্রত্যাশিত মাত্রায় কর বৃদ্ধি হচ্ছে না। দেশে ডাল, তেল, চাল, পানি, স্বাস্থ্য, শিা এ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের দামের বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেেিত অনেকেই কথা বলেন না। অথচ বিড়ি-সিগারেটের দাম বৃদ্ধির কথা বললেই কেহ কেহ দরিদ্র জনগনের তি হবে, লোকজন বেকার হবে, আয় কমে যাবে ইত্যাদি বিষয়টি তুলে বিরোধীতা করে থাকে।
রোগ ও মৃত্যু রোধ করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের ল্েয মানুষের রোগ ও মৃত্যু হ্রাসে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করে আসছে। সড়ক ও রেল দুঘর্টনা, প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা অন্য ঘটনায় কোন কারণে এক সঙ্গে কিছু মানুষের মৃত্যু হলে ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি হয়। সকল শ্রেণী পেশার মানুষ এ মৃত্যু রোধে নানামুখি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দাবি জানায়। অথচ তামাক ব্যবহারের প্রত্য ফল হিসেবে প্রতিবছর বাংলাদেশে ৩০ বছরের বেশি বয়স্ক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৫৭,০০০ জন মৃত্যুবরণ এবং ৩৮২,০০০ লোক পঙ্গুত্ব বরণ করলেও এ বিষয়ে কার্যক্রম আশানুরূপ নয়। বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ৪৩.৩% (৪১.৩ মিলিয়ন) প্রাপ্ত বয়স্ক লোক তামাক ব্যবহার করে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে রায় এবং নিরুৎসাহিত করতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন এবং তামাকজাত দ্রব্যের উপর কর বৃদ্ধির মতো কার্যকর পদপে গ্রহণ করা জরুরি।
আমাদের একজন সিনিয়র বন্ধুর কাছ থেকে গল্পটা শোনা। তিনি এক অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে গেছেন, অনেকন অপো করছেন কিন্তু অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে না। একটু এগিয়ে গিয়ে আয়োজকদের জিজ্ঞাসা করলেন অনুষ্ঠান শুরু হতে দেরী কেন? আয়োজকরা জানালেন প্রধান অতিথির জন্য অপো করছেন। তিনি বলেন আমিই প্রধান অতিথি... সাথে সাথে আয়োজক বললেন, কই আপনার গাড়ী তো দেখলাম না। গাড়ীর মাধ্যমে অতিথি নির্ধারিত হয়, স্বীকার করি বা না করি গাড়ীকে প্রাধান্য দেয়ার বিষয়টি আমাদের মানসিকতায় ঢুকে গেছে।
Aminul Islam, project coordinator of WBB Trust, is selected as Global Cancer Ambassador for Bangladesh and going to New York, USA for attend a workshop on We Can, We Should, We Will Cancer Advocate and Journalist Training by American Cancer Society (ACS). In addition, Aminul Islam also received award as Young Leaders Scholarship from APACT (Asia Pacific Conference on Tobacco or Health) 2010 at Sydney, Australia.
তামাকের বানিজ্য বিশ্বব্যাপী। তামাক কোম্পানিগুলোর বিপণন, চোরাচালান, অবাদ বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা অধিকাংশ দেশেই প্রায় একই রকম। আর এ সকল সমস্যাগুলো এককভাবে কোন দেশের পে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। পৃথিবীর অনেকে দেশেই তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার একটি বিরাট সমস্যা। উন্নত বিশ্বে তামাকের বিরুদ্ধে জনমত, ধূমপানের তিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োগ বৃদ্ধি পাওয়ায় তামাক কোম্পানীগুলো নতুন বাজার সৃষ্টির জন্য তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে ল্য হিসেবে বেছে নিয়েছে। তাই উন্নয়নশীল দেশগুলোই এ সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হবে সবচেয়ে বেশী। বর্তমানে প্রতিবছর তামাকজনিত রোগের কারণে বিশ্বে ৪০ লাখেরও বেশী লোক মৃত্যুবরণ করে। যদি বর্তমান অবস্থা চলতে থাকে ২০৩০ সাল নাগাদ তামাকের কারণে বছরে ১ কোটি লোক মারা যাবে যার মধ্যে ৭০ ল আমাদের মত দরিদ্রতম দেশগুলোতে।
তামাক ব্যবহার হ্রাসের েেত্র তামাক বিরোধী সচেতনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশে তামাক বিরোধী সচেতনার ল্েয সরকার, গণমাধ্যম, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকারের সাথে বিভিন্ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের প্রেেিত তামাক বিরোধী সচেতনতা এবং আন্দোলন অনেকাংশে গতিশীল হয়েছে।
জাতিসংঘের রেডিওতে আমিনুল ইসলাম সুজনের তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে প্রচারিত স্বাক্ষাৎকার
Aminul Islam selected as Global Cancer Ambassador for Bangladesh
DHAKA, June 1 (BSS) - Aminul Islam Sujon has been selected as "Global Cancer Ambassador for Bangladesh" by the American Cancer Society (ACS).
Aminul Islam, now working as project coordinator of Work for a Better Bangladesh (WBB Trust), got selected for his contribution to anti-tobacco movement and raising mass awareness against cancer, a press release said today.
He has been working in public health development, tobacco control and awareness building on environmental issues for the last 12 years.
Aminul Islam was a journalist by profession from 1997 to 2009 and held the position of General Secretary of Cultural Journalists Forum of Bangladesh (CJFB) in 2006, Executive Editor of Monthly Anandadin.
He also worked as Staff Reporter in the Daily Janakantha and the Bangladesh Betar. He edited more than 15 books on tobacco, environment and public health issues.
http://www.bssnews.net/newsDetails.php?cat=0&id=181096&date=2011-06-01
The issue of non-communicable diseases (NCDs) is gaining more and more attention as the rates of NCDs rise throughout the world. Much discussion is ongoing in terms of how to address this global disease epidemic. In addition to being a major public health issue, the epidemic presents an opportunity which it would be tragic to miss.
There are two main approaches to addressing NCDs, neither of which is sufficient by itself. One is treatment: ensuring high quality of diagnosis and care for those affected. This is undoubtedly important. The other approach is prevention: trying to reduce the number of people who have an NCD, and the age at which people are affected. While this too is undoubtedly important, many may question how realistic it is to reduce disease rates in a population.
দিন দিন মানুষের মাঝে রোগ বাড়ছে। প্রতিটি ব্যক্তি, পরিবার রোগ ও রোগের চিকিৎসার জন্য নিরন্তন লড়ছে। রোগের চিকিৎসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হচ্ছে অনেকেই। ক্রমাবর্ধমান রোগের জন্য জনসাধারণকে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদান রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। রোগ সৃষ্টির অনেকগুলো কারণের মাঝে একটি বড় কারণ হচ্ছে পরিবেশ দূষণ। পরিবেশ দূষণ রোগ বৃদ্ধির প্রক্রিয়া তরান্বিত করছে জেনেও ব্যক্তি হিসেবে পরিবেশ দূষণ রোধে আমরা সক্রিয় নই। শুধুমাত্র সরকার বা প্রশাসনের উপর দায় চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের পরিবেশ দূষণজনিত রোগ হতে আমরা নিজেদের মুক্ত রাখতে পারবো না।
সম্প্রতি মন্ত্রী পরিষদ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। তামাক নিয়ন্ত্রণকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতা দূরীকরণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের দাবি জানিয়ে আসছিল। আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গতিশীল হবে।
বাংলাদেশে ধূমপানসহ তামাক ব্যবহার হ্রাসের প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। রেলওয়ে আইন ১৮৯০ -র ধারা ১১০-এ কামরায় ধূমপান নিয়ন্ত্রণে বিধি-নিষেধ আরোপের মাধ্যমে এ প্রচেষ্টার সূত্রপাত। রেলওয়ে আইনে সহযাত্রীর অনুমতি ব্যতীত ধূমপানের জন্য রেল কামরা থেকে বহিষ্কার এবং ২০ (বিশ) টাকা জরিমানার বিধান করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯১৯ সালে কিশোরদের মাঝে ধূমপান নিয়ন্ত্রণে প্রণয়ন করা হয় জুবিনাইল এক্ট। তার প্রায় ৩৩ বছর পর ১৯৫২ সালে প্রেক্ষাগৃহে ধূমপান নিষিদ্ধ করার করার আইন প্রনয়ণ করা হয়।

১৮৯০ সাল থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে মোট ১২ টি আইনের মাধ্যমে ধূমপান ও তামাক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টা করা হয়। ২০০৫ সালে আইন প্রণয়নের পূর্বে ১৯১৯ এবং ১৯৮৮ সালের আইনব্যতীত অন্যান্য আইনের মুল বিষয় ছিল ধূমপান নিয়ন্ত্রণ। এ আইনগুলোতে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু স্থানকে ধূমপানমুক্ত করা হয়। এই আইনগুলো বাস্তবায়নে যথেষ্ট সফলতা অর্জন হয়েছে এমন জোরালে তথ্য প্রমাণ নেই।
২০০৫ সালের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে নির্দিষ্ট পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ, তামাকজাত দ্রব্যের প্রত্যক্ষ বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, প্যাকেটের গায়ে দৃষ্টিগোচর ভাবে পৃথক পৃথক স্বাস্থ্য সতর্কীবাণী প্রদানের বিধান করা হয়। এ আইনের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, প্যাকেটের গায়ে সতর্কবানী নিশ্চিতে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং ধূমপানমুক্ত স্থান বিষয়ে সচেতনতার বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপান হ্রাস পায়। কিন্তু পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ বিষয়ে মানুষের প্রত্যাশা অপূর্ণ থেকে গেছে।
.jpg)
Send to a friend
Print this page 